সিনিয়র আপু যখন বউ (পর্ব-৪)
(Senior Apu Jakhan bow)

December 4, 2020 | By Admin | Filed in: চটি কাব্য, সিনিয়র আপু যখন বউ.

সিনিয়র আপু যখন বউ (পর্ব-৩)

View all stories in series

—আপু সোফায় হেলান দিয়ে বসল।
আমি আপুর দিকে তাকিয়ে আছি

—আপু আমার তাকিয়ে থাকা দেখে,,
সোফার হেলান ছেড়ে দিয়ে আমার দিকে ঝুলে এমনি কিছু বলতে যাবে।

—তখন আমি যা দেখলাম তা দেখার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না,,, আমি চোখ বোজে ফেললাম? আপনারা আবার অন্য কিছু ভাইব্বেন্না।

—আপু বলল আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আর তার পর চোখ বন্ধ করে ফেললি কেন,,,,

(আমি) না কিছু না,, আপুকে কি করে বলি যে তুমি যখন আমার দিকে ঝুলে ছিলে তখন আমি তোমার বুকের বাদামি কালার তিলটা দেখে ফেলেছি,,, অসম্ভব সুন্দর))
যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না, যা ছুঁয়ে দিতে ইচ্ছে করে।

((((হায় হায় কি বলতেছি আমি আমার না বড় আপু )))

(ঈশিতা আপু) কিছু না হলে তুই এভাবে চোখ বন্ধ করতি না ???
(আমি) আমি কথার টপিকটা পাল্টে ফেললাম,, বললাম যে, আসলে তোমাকে ফতোয়া তে বেশ ভাল মানিয়েছে, আমি এতক্ষন খেয়াল করিনি,, অসম্ভব সুন্দর লাগছে,,, আপু আমার কথা শুনে একটু হেসে বলে আমি যা পড়ি তোর কাছে তাই সুন্দর লাগে”””

হুম?

বাই দা ওয়ে আপু থুক্কু ঈশিতা অনেকগুলা ধন্যবাদ তোমাকে?

( ইশিতা আপু) শয়তান ছেলে তুই কখনো ভাল হবি না,, আর ধন্যবাদ কেন

(আমি) আমার পছন্দের খাবার রান্না করে খাওয়ানোর জন্য!
(ঈশিতা আপু) মোস্ট ওয়েলকাম?

–আপু ধুর ঈশিতা একটা কথা বলব।
হ্যা বল?
তুমি কি কাউকে পছন্দ করো।
(ঈশিতা আপু) হুম করি তো একজনকে অনেক বেশি পছন্দ করি?
কে সে?
আছে তোকে বলা যাবে না?
তুমি না বললেও আমি জানি ভার্সিটির রিয়াজ ভাই?
(ঈশিতা আপু) রিয়াজ আমার ভালো বন্ধু।
(আমি) তাহলে কে বলনা আপু প্লিজ ধর ঈশিতা।
(ঈশীতা আপু) এই শয়তান কুত্তা বান্দর বারবার আপু বলিস কেন।
(আমি) মুখ ফস্কে বের হয়ে যায় আর বলবো না।
(আমি) এখন বলো না কে সে “”যাকে তুমি অনেক পছন্দ কর।
(ঈশিতা আপু) আছে ছেলেটা অনেক সুন্দর অনেক কিউট,, কিন্তু বয়স আমার চেয়ে একটু কম,,, সমস্যা নেই প্রেম ভালোবাসা তো আর বয়স মানে না,,,, তাই ঐ পিচ্চিটাকে আমি অনেক অনেক পছন্দ করি।।।
(আমি) কি বলো তুমি একটা পিচ্চিকে ভালোবাসো,,,, যে কিনা পুরা ভার্সিটির ক্রাশ সে ভালবাসে কিনা একটা পিচ্চি ছেলেকে,,, একথা ভার্সিটির সবাই জানলে তোমাকে কি নিয়ে নানান কথা এবং হাসাহাসি করবে, আর খালা খালুর যদি জানতে পারে যে তুমি তোমার বয়সের চেয়ে ছোট কোন ছেলেকে পছন্দ করো বা ভালোবাসো তাহলে তো সর্বনাশ,, তারা কখনো মেনে নেবে না।,,

((ঈশিতা আপু))ভার্সিটিতে কে কি বলে আমি তার ধার ধারিনা,””” আর আব্বু আম্মু না মানলে আমার কিছু করার নেই,, তারপরও আমি ঐ পিচ্ছিটাকেই ভালোবাসি,, অনেক বেশি ভালোবাসি।

(আমি) তা সেই সৌভাগ্যবান কিউট পিচ্চিটাকে কে? আমাকে দেখাবে না ,, যে কিনা তোমার মতো সুন্দরী বড় আপুর ক্রাশ।

((😘ইশিতা আপু মনের মনে সেই পিচ্চিটা আর কেউই নয় তুই,,, তুই ঐ আমার প্রথম ক্রাশ,,, তোকে ঐ আমি অনেক ভালবাসি রে পিচ্চি,, তুই বুঝিস না তোকে কেন। তোর এই বড় আপু তোর প্রেমেই হাবুডুবু খাচ্ছে,, সে কবে থেকে,, এজন্যই তো তোকে আমি এত কেয়ারিং করি, শাসন করি বকা দেয়)))))

(আমি) কি হল কথা বল না কেন,,,
(ঈশিতা আপু) পিচ্চিটা কে এখন তোকে বলতে পারব না,, আগামী 27 তারিখ আমার জন্মদিনে ঐদিন পিচ্চিটা কে তোকে দেখাবো।।
(আমি) একচুয়ালি পিচ্চিটার নাম তো জানতে পারি।
(ঈশিতা আপু)) হুম জানতে পারিস F A F
(আমি) এটা কোন নাম হল।
(ঈশিতা আপু) ওই পিচ্চিটার নামের প্রথম অক্ষর গুলা বললাম, এখন তুই সাজিয়ে নে কি নাম হবে।
আপু একটা মুচকি হাসি দিয়ে ভিতরে চলে গেল,, আর আমি সোফায় বসে ভাবনায় পড়ে গেলাম 😇 F A F দিয়ে কি কি নাম হতে পারে””” অনেকক্ষণ ভাবার পরে না মাথায় কিছুই আসছে না,, কোন কিছু বেশি ভাবলে মাথা ঝিম ধরে আসে। আর ভাবার দরকার নাই,, এ মাসের 27 তারিখে তো আপুর জন্মদিন আর মাত্র 15 দিন বাকি আছে ওই দিন দেখে নিব। এখন বরংচ বাসায় যেয়ে ঘুম দেয়,, আপু আবার কোথায় গেল । আপুকে ডাকতে যাব”” তখনই দেখি আপু একটা কফির মগ হাতে আমার দিকে আসতেছে,,,
(ঈশিতা আপু) এই নে কফি।
(আমি) ওমা আমি তো কফির কথা বলি নাই,।
(ঈশিতা আপু) তুই না বললে ও আমি জানি তোর মাথা এখন ঝিম ধরে আছে, অক্ষর গুলা এখন ও সাজাতে পারস নাই।হিহিহি😁

((((আপু মনে মনে— তোর মতন গাধা কয়জন আছে আল্লাহ ভালো জানে,, F –ফারহান
A –আহাম্মদ F ফারাবী F A F এর মানে হল” ফারহান আহমদ ফারাবী,, নিজের নামের অক্ষর গুলো দিয়েও সাজাতে পারে না,, কত বড় গাধা “”কে যে বলেছিল ওকে কলেজে পড়ার জন্য আবার বলে ব্রিলিয়ান্ট ছাত্র ””আস্তা মারাগাধা একটা))))))

(আমি)তুমি কি করে জান?
(ঈশিত আপু))আমার চেয়ে বেশি তুকে কে জানবে।
(আমি) তুমি আমার বড় আপু তুমি জানবেনা তো কে জানবে
(ঈশিতা আপু)লাল কুত্তা বান্দর একটা থাপ্পড় দিয়ে সবগুলো দাঁত ফেলে দিব,, বারে বারে আপু বলিস কেন।

(আমি) তাহলে ম্যাডাম বলে ডাকি।😁
(ঈশিতা আপু) ম্যাডাম বলবি কেন আমি কি তোর টিচার।
(আমি) টিচারের তে কম কিসের তুমি যেভাবে আমাকে বকা দাও শাসন কর টিচার ও ছাত্রকে এভাবে শাসন করে না।
(ঈশিতা আপু)কি ইইইইই? আমি তোকে শাসন করি”” যা তোর সাথে আর কথা নেই
(((একটু অভিমানী হয়ে)))
(আমি) আরে আরে রাগ কর কেন,, আমি তো এমনি মজা করলাম? আর রাগ করলে কিন্তু তোমাক খুব সুন্দর লাগে ++ পিচ্ছি পিচ্ছি লাগে।।

(ঈশিতা আপু) আমি তো পিচ্চি ঐ(( একটু হেসে))))।

(আমি) হায় আল্লাহ বলে কি তুমি পিচ্চি হলে আমি কি।।
(ঈশিতা আপু) তুই হইলি বুইড়ার বাপ”” এ কথা বলে আপু হাসতে থাকে। আমি মুখ হাঁ করে আপুর দিকে একদৃষ্টিতে চেয়ে আছি এত সুন্দর করে একটা মানুষ হাসতে পারে,, যেন হাসিতে কে থেকে মুক্তা ঝরে পড়ছে, বিধাতা মনে হয় তার সুন্দরের ভান্ডার থেকে এক চিমটি সুন্দর্য আপু সেই মুক্তা ঝরা হাসির ভিতরে দিয়েছে,, আমি মনে মনে বলি তুমি এভাবে হাসতে থাকো আর আমি দাড়িয়ে কয়েক যুগ ধরে তোমার সেই মুক্ত ঝরা হাসি দেখতে থাকি।

((((( হায় হায় কবি হয়ে গেলাম নাকি বড় আপুকে নিয়ে কি বলতেছি)))))

আপু আমার তাকিয়ে থাকা দেখে বলে এভাবে হা করে আমার দিকে তাকিয়ে আছিস কেন,, কফি ঠান্ডা হয়ে যাবে তো।
আপুর কথায় আমি বাস্তবে ফিরলাম,, ও তাই তো।

তা এক কাপ কফি কেন ,, তুমি খাবে না।
(ঈশিতা আপু) না আমি এখন খাব না।
(আমি) আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে দাও,, আপু আমার হাতে কফি দিয়ে”” পাশের সোফায় বসল,, আমি কফি খাচ্ছি আর মোবাইল টিপছি। আপু এক দৃষ্টি দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে আমি তা খেয়াল করি নাই,,, আমি যখন মোবাইল টিপা বাদ দিয়ে আপুর দিকে তাকালাম আপু চোখ নিচে নামিয়ে ফেলছে।। আমি বুঝতে পেরেছি এতক্ষণ ধরে আপু আমার দিকে তাকিয়ে ছিল,, । আমি আর কিছু না বলে আপুকে বললাম,, আমার একটু ওয়াশ রুমে যাওয়ার দরকার,, আমি কফি অর্ধেকটা খেয়ে সামনে রেখে ওয়াশ রুমে চেল গেলাম। 5 মিনিট পর পাঁচ ওয়াশ রুমের থেকে বের হয়ে দেখি আমার রেখে যাওয়া বাকি অর্ধেক কফি আপু খাচ্ছে, আমাকে আসতে দেখে তাড়াতাড়ি কফির মগটা আগের জায়গায় রেখে দিয়েছে,, মনে করছে আমি দেখি নাই।। আমি এসে সোফায় বসলাম পুরোনাই কফি টা হাতে নিলাম,, কফি মগ এর দিকে তাকিয়ে দেখি কফি প্রায় শেষ,, একি কফির কাপের মাথায় লিপস্টিক লেগে আছে,,, আমি তো জানি আমার অর্ধেক খাওয়া বাকি কফিটা আপু খেয়েছে,, তারপরও তাকে বললাম,, এ কি হঠাৎ করে কফি এত মিষ্টি হল কেন,, তুমি কি আবার চিনি দিছো নাকি,,
(ঈশিতা আপু) আমি চিনি দিতে যাব কেন।

(আমি) তাহলে এতো মিষ্টি হলো কিভাবে,, আর কফি তো দেখি অল্প আছে আমি তো অর্ধেক রেখে গিয়েছিলাম,, আর কফির কাপে মাথায় এই লাল রং কোথা থেকে আসলো।।
((((ঈশিতা আপু হায় আল্লাহ আমি কত বড় গাধী কফি খেয়েছি লিপ্সটিক লেগে আছে আমি খেয়াল ঐ করি নাই,, এখন তো দেখি নরমভাবে চরম ধরা খাব। আর এই বান্দর ছেলে কত বড় লুচ্চা,,, বলছে কফি এত মিষ্টি হল কেন? এই বজ্জাত পিচ্চি ছেলে কি দেখে ফেলেছে নাকি))))

(আমি) কি হল কথা বল না কেন।
(আপু) আ” আ”” আ”” আমি কি করে বলবো।
(আমি) তোতলাচ্ছ্ কেন?
(আপু) কোথায় তোতলাচ্ছি))

দাঁড়াও এক মিনিট আবার কে ফোন দিল

টন You are not alone “” anether dey has gone স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে দেখি বন্ধু শামীমের ফোন,, ফোনটা রিসিভ করলাম।
হ্যালো বল রে।
আমি কথা বলার সময় দেখি আপু আমার কানের কাছে এসে আমি কার সাথে কথা বলতেছি আপু শুনতেছে।
পাঁচ মিনিট কথা বলার পর ফোন রেখে দিলাম।
আপু আমার দিকে কড়া একটা লুক নিয়ে জিজ্ঞাসা করল কার সাথে কথা বললি।। আমি আপু চেহারার মধ্যে স্পষ্ট রাগ দেখতে পাচ্ছি।। আমি বললাম কেন।।

আপু আরো একটু রেগে বলল তোকে যা জিজ্ঞাসা করছি তার উত্তর দে।।
(((এই গুন্ডি মেয়ে খালি আমারে ঝারির উপরে রাখবে))))
(আমি)বন্ধু শামীম ফোন দিয়েছিল ওর সাথে একটু দেখা করতে যেতে হবে।
আপু বড় একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে,, মনে হচ্ছিল এতক্ষণ ধরে নিঃশ্বাস টা বুঝি আটকে ছিল,, আমাকে বলল এখন ঐ দেখা করতে যেতে হবে। আমি আপুর দিকে তাকিয়ে দেখি চেহারার রাগ মুহূর্তে উধাও হয়ে গিয়েছে।।

(আমি)হুম?
(আপু) তাহলে বিকালে আসবি।
(আমি)আচ্ছা আসব,, আরে না না না বিকালে আসতে পারব না।
(আপু)কেন
(আমি)বিকালে একটা কাজ আছে।।
(আপু)কি কাজ?

(আপু)বলা যাবে না?
(আপু) তুই না বললে ও আমি জানি ক্রিকেট খেলা ছাড়া তোর আর কোন কাজ নাই আজকে খেলার দরকার নাই
(আমি)তুমি কি করে জানলে।
(আপু) তুই ত সকালে বললি।
(আমি) মাথায় থাপ্পর দিয়ে ও শিট আমি কত রড় গাধা আগে ঐ বলে ফেলছি,, প্লিজ আজকে ঐ খেলব আর কোন দিন খেলব না,,,
(আপু) আচ্ছা ঠিক আছে কিন্তু আজকে ঐ শেষ খেলা।
(আমি)আচ্ছা ঠিক আছে এখন তাহলে আমি আসি,, একথা বলে আমি দরজার বাহিরে চলে আসলোম? আবার পিছন থেকে ডাক,, এই শুন।

(((((হায় আল্লাহ আবার ডাকে কেন এখন আবার কোন প্যাচ লাগা আল্লাহ ভাল জানে””
এই গুন্ডি মেয়েরে দিয়ে বিশ্বাস নাই)))))

 

চলবে★

নতুন ভিডিও গল্প!


Tags: , , , , , , , , ,