যার যা ভূমিকা – সমরেশ বসু

September 5, 2021 | By Admin | Filed in: বিখ্যাত লেখকদের সাহিত্যে যৌনতা.

……মেয়েটির মুখ একটু যেন চেনা চেনাই লাগছে। কোথায় দেখেছি, মনে করতে পারছি না। পাড়বি’হীন গােলাপী শাড়ি, আর গােলাপী রঙের জামা’। জামা’র হা’তা, কঁাধে চিলতে মত আছে। চোখে আমা’র পড়েছে ঠিকই, নাভির নীচে তার শাড়ির বন্ধনী, জামা’ বুকের নীচেই শেষ, অ’তএব পেট এবং নাভিদেশ সহ কোমরের স্ফীত অ’ংশও কিঞ্চিৎ চোখে পড়ে।…..

…..আমি সুদীপ্তার দিকে ফিরে তাকালাম। আমা’র দৃষ্টি পড়ল, শাড়ি-ব্লাউজ থেকে মুক্ত, ওর পেট, নাভিস্থল এবং কোমরের কিছু অ’ংশে। সুদীপ্তা যেন তাতে একটু লজ্জা পেল। শাড়ি দিয়ে, মুক্ত অ’ংশ ঢাকতে চাইল, তবু যেন ঢাকা পড়ল না, এবং কোমরে মা’েচড় দিয়ে, ও একটু নড়ে চড়ে বসল, আমা’র দিকে চেয়ে হা’সল। | আমি হেসে চোখ সরালাম, কিন্তু মনে মনে স্বীকার না করে পারলাম না, সুদীপ্তার সুগঠিত শরীরের একটি আকর্ষণ আছে। ওর পেটে কোথাও মেদ নেই, সুবর্ত নাভির চারপাশ পাতলা এবং মসৃণ, এবং কটির নীচে কোমরের যে অ’ংশটুকু বেরিয়ে আছে, তার বৃত্তের সুঠাম বি’স্তৃতি দেখে, বােঝা যায়, ওর কোমর সুন্দর। বুকের গঠন মা’ঝারি, গ্রীবা দীর্ঘ। পুরুষের চোখ, এতে একটু মুগ্ধ হলে, তাকে দোষ দেওয়া যায় না।……

…..এরকম নাভির নীচে শাড়ি পরা, কাধ আর বগল কাটা’, পেট বের করা জামা’ পরা, আজকাল চলতি ফ্যাশান। এসব দেখলে সকলের মেজাজ খারাপ। এসবের তাে আজকাল খুবই সমা’লােচনা। কিন্তু হা’ঁ করে চেয়ে দেখবার বেলায় তােত, নজর একেবারে খাড়া। কেবল খাড়া কেন, আরাে ফাক-টা’ক কোথাও আছে কী , চোখ দিয়ে তাও খুঁজে মরে। তখন তাে আমা’র মনে হয়, টপলেস পােশাক পরে, এদের সামনে দিয়ে চলে যাই। লােয়ারলেটা’ নিজেরই ভাবতে কেমন গা শিরশিরিয়ে ওঠে। ক্ষতিই বা কী। ওরা গালাগাল দিলেও চেয়ে দেখবে, হা’ততালি’ শিস দেবে, চান্স পেলে, ধরে ছিড়ে খাবে।……

…..তা বলে, চোখে পড়বার জন্য, অ’দ্ভুত একটা’ কিছু করতে চাই । আর এও চাই না, প্রকাণ্ড একটা’ ভুড়ি বের করে, নাভির নীচে শাড়ি পরে রাস্তায় বেরােব, কিংবা আটচল্লি’শ ইঞ্চি বুক নিয়ে, পেট-কাটা’ জামা’ গায়ে দিয়ে বেরােব। কী অ’খাদ্য দেখতে লাগে। তবু অ’নেকেই ওরকম বেরােয়।…..

…..এমন কি আর আশ্চর্য ঘটনা, ওরকম বয়সের লােকেরা, আমা’কে হা’মেশাই দেখেন। কিন্তু উনি বারে বারেই আমা’র পেট নাভি আর কোমরের দিকে দেখছিলেন। খিদেয় পেট চুই চুই করছে, মশাই তখন আমা’র নাভি আর পেট দেখছিলেন।…..

…….একবার গাছের দিকে তাকিয়ে, পাখী না কী যেন দেখলেন, অ’ন্ততঃ সেরকম ভাব করলেন, তারপরে আমা’র দিকে এক পা এগিয়ে এসে দাড়ালেন। মা’থা নীচু করে, (উনি আমা’র থেকে অ’নেক লম্বা) আমা’র খােলা জায়গায়, বারে বারে দেখতে লাগলেন। আমিও ব্যাগটা’ এ হা’ত ও হা’ত করতে গিয়ে, কাপড় সরিয়ে একেবারে নাভির আর কোমরের খােলা অ’ংশ ওঁকে দেখতে দিলাম, মনে মনে বললাম, ‘নিন দেখুন, কী দেখবেন।…..

……জিমনাসিয়ামের মা’স্টা’র বি’মলদা আমা’কে খুব যত্ন করেই শেখাত । সুদেহী বলে, কয়েকবার পুরস্কার পেয়েছে বি’মলদা। আজও বি’য়ে করে নি, আজীবন নাকি ব্রহ্মচারী থাকবে। কিন্তু, বি’মলদাকে আমি অ’ন্যরকম চিনেছি। বি’মলদা আমা’র গায়ে হা’ত দিলে, আমা’র অ’স্বস্তি এবং ভাল দুই-ই লাগত। বি’শেষ বি’শেষ জায়গায়, বি’শেষ বি’শেষ ভাবে হা’ত দেবার মধ্যে যে একটা’ বি’শেষ ব্যাপার আছে, সেটা’ আমি বুঝতে পারতাম, কিন্তু বি’মলদা এমন ভাব করত যে, তার যেন ওসব খেয়ালই নেই। অ’থচ, এগারাে-বারাে বছরের মেয়ে আমি, আমা’র রক্তের মধ্যে কীরকম দপদপিয়ে উঠত। আমা’র মনে মনে ভীষণ লজ্জা করত, ভয় পেতাম। বি’মলদা তাে শরীরের সব জায়গাতেই হা’ত দিত, যেন আমি একটা’ কাদার ড্যালা। কিন্তু সত্যি কাদার ড্যালায়, ওভাবে হা’ত দিয়ে, শিউরে তােলা যায় না। এমনও হয়েছে, আমা’র হা’তে পায়ে শক্তি থাকত না। | প্রথম পিকক করাবার সময়, নাভির কাছে দুই কনুই রেখে, মা’টির দিকে উপুড় হয়ে, সমস্ত শরীরটা’কে যখন বাঁকিয়ে তুলতে যেতাম, পারতাম না। বি’মলদা, আমা’র বুকে আর তলপেটের নিচে, প্যান্টির (ছােট্ট জাঙি পরেই খেলা শিখতে হত, আর গায়ে হা’তাওয়ালা গেঞ্জির মত টা’ইট জামা’।) তলায় হা’ত দিয়ে তুলে ধরে রাখার চেষ্টা’ করত। আমি বুঝতে পারতাম, প্রথম দু তিন বারের পরে, বি’মলদার হা’ত কী রকম যেন করত।

এটা’ শুধু আমা’র ব্যাপারে না, আরাে অ’ন্যান্য মেয়েদের বেলায়ও তাই। পরে আমরা এই নিয়ে, নিজেদের মধ্যে গল্প করতাম। তবে, শরীরের এসব বি’ষয়, আমি আরাে ছেলেবেলা থেকেই জানি। এক ঘরে, আমরা এতগুলাে ভাই বােন থাকতাম যে, যাকে বলে পশুবৃত্তি, সব থেকে সহজে যে সব সুখগুলাে আয়ত্ত করা যায়, অ’থবা আপনা থেকেই এসে পড়ে, সেসব অ’নেক আগেই জানা হয়ে গিয়েছিল। লজ্জার মা’থা খেয়ে, স্বীকার করতেই হয়, আমা’দের মা’সী-মেসো খেলা, আমরা নিজেরাই খেলতাম। আমা’দের চোখে, সব ছেলেমেয়েদের চোখেই, মা’সী-মেসাের কোন ব্যাপারই তত গােপন ছিল না। পাকামি ইতরতা বলতে যা বােঝায়, তা সবই জানা হয়ে গিয়েছিল। তবু কোথায় যেন একটা’ ভয়ও ছিল, একটা’ অ’ন্যায়ের ভাব, খারাপ। একটু বড় হবার পরে, যখন আর একটা’ নতুন ব্যাপার শরীরে ঘটল, মা’ হবার যােগ্যতা—যােগ্যতা না ছাই, একটা’ নতুন বি’পদ আর ভয় এসে শরীরে দেখা দিয়েছিল, তখন মনের দিক থেকে, কেমন একটা’ ঘাড় বাঁকানাে ভাবও এসেছিল, “কোন ছেলে আর আমা’র গায়ের কাছে এস না।……

…..আমি সবে ওপরের জামা’টা’ খুলেছি, ব্রেসিয়ার তখনাে গায়ে, কোমরে স্কার্ট। দীনেশ এসে ঢুকেছিল। ঢুকেই দরজাটা’ ভিতর থেকে বন্ধ করে একেবারে আমা’কে জড়িয়ে ধরেছিল। আমি বলে উঠেছিলাম, কী করছেন দীনেশদা, দরজাটা’ খুলে দিন। সবাই কী ভাববে।

আর ভাববে! দীনেশ অ’সুরের মত ব্যবহা’র করেছিল। স্কার্টটা’ একটা’নে খুলে দিয়েছিল, আমি চিৎকার করব ভেবেও, পারিনি, ফুপিয়ে কেঁদে উঠেছিলাম, বলেছিলাম, ‘পায়ে পড়ি দীনেশদা, ছেড়ে দিন।

তখন দীনেশ আমা’র প্যান্টিটা’ টা’নাটা’নি করছে। না পেরে শেষটা’য় এত জোরে টেনেছিল, ওটা’ ছিড়েই গিয়েছিল। ব্রেসিয়ারটা’ পর্যন্ত গায়ে রাখতে দেয় নি। দেখেছিলাম একটা’ নােংরা পশু, কী রকম নির্লজ্জের মত আমা’কে মা’টিতে ফেলে দিয়েছিল, আর পশুর মতই আমা’র ওপর ঝাপিয়ে পড়েছিল। তখন আমা’র আর চিৎকার করবার ক্ষমতাও ছিল না। আমা’র ঠোট নাড়াবার উপায় ছিল না।••• 

আমি উঠতে পারছিলাম না, আমা’র শরীরে মনে কোন জোর ছিল না, কেবল চোখ দিয়ে জল আসছিল, আর দীনেশ নিজেই, তাড়াতাড়ি আমা’কে, কোনরকমে জামা’-টা’মা’ পরিয়ে দিয়ে, দরজা খুলে চলে গিয়েছিল, বলেছিল, ‘তােমা’কে আমিই বাড়িতে পৌছে দেব, তৈরি হয়ে নাও।

তৈরি হতে আমা’র অ’নেক সময় লেগেছিল। ইতিমধ্যে, ঘরের দরজায়, অ’নেকেই উকি দিয়ে গিয়েছিল। তাদের চোখের নজর আর টেপা হা’সি দেখেই বুঝেছিলাম, সব ব্যাপারটা’ জানাজানি হয়ে গিয়েছে।……

….আমি কথা না বলে, দরজাটা’ ঠেলেছিলাম, দরজাটা’ খােলা ছিল, ঢুকে পড়েছিলাম। দেখেছিলাম, রঞ্জা কাত হয়ে শুয়ে আছে। একটা’ পায়ের ওপর থেকে শাড়ি অ’নেকখানি উঠে গিয়েছে, বুকে আঁচল নেই, বড় করে কাটা’ জামা’ উপছে যেন ওর বুকের অ’নেকখানি দেখা যাচ্ছিল। ও জিজ্ঞেস করেছিল, এমন অ’সময়ে কী মনে করে ? ‘তােমা’র সঙ্গে একটু গল্প করতে এলাম। ও হেসেছিল, চিত হয়ে শুয়ে পড়েছিল। আর আমা’র রক্তে আগুন লেগে গিয়েছিল। আমি সােজা ওর খাটে গিয়ে বসেছিলাম। ও বলেছিল, ‘চেয়ারে বসুন।

বলেছিলাম, না থাক, তােমা’র কাছেই বসি।

বলেই কাত হয়ে ওর হা’ত ধরেছিলাম, একটুও সময় না দিয়ে, চুমা’ে খেয়েছিলাম। তখন আমি আমা’তে ছিলাম না। ও বাধা দেবার চেষ্টা’ করতেই, আমি পাশে শুয়ে ওকে একেবারে বুকের কাছে টেনে এনেছিলাম। ও একবার চিৎকার করে উঠেছিল, কিন্তু আমি ততক্ষণে ওকে অ’নেকখানি আমা’র শরীরের মধ্যে আটকে ফেলেছিলাম, পাগলের মত বলেছিলাম, “রঞ্জা প্লি’জ, পায়ে পড়ি, আমা’কে সরিয়ে দিও না।……

…..উশীনর যদি আমা’কে নিয়ে যায়, তবে যাব। উশীনরের ঘাড়ের ওপর হা’ত রেখেছে লাল শাড়ি মেয়েটা’। মেয়েটা’র তাে বুকও খুলে গিয়েছে। লজ্জা করছে না? কিন্তু উশীনরের চোখ আমা’র দিকেই।…..

……অ’ন্ধকারে, দুটো আদিবাসী মেয়েপুরুষ একদম নাঙা, শুয়ে আছে। আমা’কে দেখেই, মরদটা’ উঠে, মেয়েটা’র ঘাড়ের ওপর ফেলে দিয়ে হা’সতে লাগল। আমি ভাবলাম, মেয়েটা’ আমা’কে পিটবে। কিন্তু পিটল না। যা বাবা, কোথা থেকে কী হয়ে গেল।….

……কিন্তু রাত্রে কী বলে লােকটা’ হা’সতে হা’সতে, আমা’কে ওরকম একটা’ যােয়ান মেয়ের ঘাড়ের ওপর ফেলে দিল। আমি তাে প্রথমে ভেবেছিলাম, একটা’ মা’রামা’রি খুননাখুনি হয়ে যাবে। হা’য় রাম, মুণ্ডা দুকরির লাজ লজ্জা। তার গায়ের কাপড়ই বা কোথায় ছিল। একে কী বলে। তবে হ্যা, একটা’ কথা ঠিক, মেয়েটা’কে কেন যেন আমি খারাপ বলতে পারিনা। আমা’র মতলব আর মেয়েটা’র মতলব একদম আলাদা মনে হচ্ছিল। মেয়েটা’ মা’তাল, মেয়েটা’ হা’সকুটে।…..

Please follow and like us:

fb-share-icon

নতুন ভিডিও গল্প!


Tags: , , , , , ,

Comments are closed here.