jouno uponnash কালু – 1 by puppyboy

| By Admin | Filed in: চোদন কাহিনী.

bangla jouno uponnash choti. কালু , কি বলবো ওকে নিয়ে ? কিভাবে ওর পরিচয় দেবো ? ঠিক বুঝতে পারছি না । সিনেমা’য় গল্পে দেখছি বা পড়েছি । কিছু কিছু লোক থাকে এরা তাদের আশেপাশের লোকজন কে এতটা’ই প্রভাবি’ত করে যে চলে যাবার পর ও সেই লোক গুলি’র ছাপ থেকে যায় । কালু সেরকম ই একজন । এখনো কালুর ছাপ রয়েগেছে আমা’দের ঘরে । অ’নেক গুলি’ বছর কেটে গেছে তারপর ও কালু যেন জিবন্ত আমা’দের বাড়িতে । যেমন হুট করে এসে আমা’দের বাড়ির অ’পরিহা’র্য অ’ংশ হয়ে উঠেছিলো ঠিক তেমনি সবাই কে অ’বাক করে দিয়ে উধাও হয়ে যায় ।

কালু কে কেউ নিয়ে আসেনি আমা’দের বাড়ি ও একাই এসেছিলো । তেমনি ওকে কেউ বের করে দেয়নি ও একাই চলে গিয়েছিলো । ও আমা’দের বাড়ি ছিলো প্রায় বছর তিন এর মতো । ধীরে ধীরে ও আমা’দের জিবনের অ’পরিহা’র্য অ’ংশ হয়ে উঠে ছিলো । বি’শেষ করে আমা’র, নাহ কারো বি’শেষ করে নয় । ও আমা’দের সবার জীবন এর অ’পরিহা’র্য অ’ংশ হয়ে উঠেছিলো। বাবার জন্য তার আকাঙ্ক্ষিত ছেলে যা আমি কোনদিন হয়ে উঠতে পারিনি । মা’য়ের জন্য যে কি ছিলো সেটা’ আমি বলে বোঝাতে পারবো না কারন সেটা’ আমা’র কাছেও একটা’ ধাঁধা ।

jouno uponnash

কালু যেদিন চলে গেলো সেদিন আমা’র বাবা সবচেয়ে বেশি দুঃখ পেয়েছিলো । যেদিন কালু কে আর খুজে পাওয়া গেলো না সেইদিন বাবা যে বারান্দায় ইজি চেয়ারে বসলেন আর ওনাকে সুস্থ ভাবে চলা ফেরা করতে দেখেনি । আমা’র ও খুব খারাপ লেগেছে কিন্তু সবচেয়ে অ’বাক হয়েছি মা’ কে দেখে । উনি এমন একটা’ ভাব করতেন যেন কিছুই হয়েনি । মা’য়ের আচরন দেখে মনে হয়েছে কালু নামে কেউ কোনদিন ছিলইনা আমা’দের বাড়ি ।

প্রথমে আমা’দের পরিবার এর সংক্ষিপ্ত ইতিহা’স এবং কালু আসার আগে আমা’দের বাড়ির পরিস্থিতির একটা’ ছোট্ট বি’বরন দিয়ে নেই । আজমত পুর গ্রামের সবচেয়ে সম্ভ্রান্ত পরিবার আমা’দের পরিবার । এমন কি এই আজমতপুর নামটা’ও এসেছে আমা’দের পরিবার থেকে । আমা’র দাদাজান এর বাবার মা’নে আমা’র বড় বাবার নাম ছিলো আজমত শেখ । বি’শাল নাম ডাক ওয়ালা লোক ছিলেন উনি । শুনেছি একাই নাকি দশ লোকের খাবার খেতে পারতেন আজমত শেখ । তেমন পয়সা করি ছিলো না ওনার । উনি ছিলেন দাঙ্গাবাজ লোক ডাকাত মা’ড়া ওনার পেশা এবং সখ ছিলো । jouno uponnash

এই গ্রাম আর আশেপাশের গামের জমিদার ওনাকে খুব পছন্দ এবং সমিহ করতো । দেখা গেলো যে আজমত শেখ এর ভয়ে এই গ্রাম আর আসেপাসে গ্রামের ডাকাত আশা বন্ধ হয়ে গেলো । তাই জমিদার খুশি হয় ওনাকে কিছু জমি দিয়েছিলো । নিজের দেওয়ান এর মেয়ের সাথে বি’য়ে ও দিয়েছিলো । যদিও আমা’র বাবা বলতো যে জমিদার হিন্দু না হলে নিজের মেয়ের সাথেই বি’য়ে দিত । কিন্তু আমা’র কাছে সেটা’ অ’তিরঞ্জিত মনে হয়। তবে আজমত শেখ এর জমি জমা’য় মন বসতো না , উনি দাঙ্গা হা’ঙ্গামা’ করেই দিন কাটা’তে পছন্দ করতেন ।

দেওয়ান এর মেয়ে মা’নে আমা’র বড় মা’ কে ছারাও আজমত শেখ আরও দুটি বি’য়ে করেছিলো। তৃতীয় স্ত্রীর ঘরে কোন সন্তান হয় নি । দুই স্ত্রী মিলি’য়ে আজমত শেখ এর মোট ছয় পুত্র এবং চার কন্যা । প্রথম স্ত্রীর ঘরে সুধু একটি পুত্র সন্তান জন্ম গ্রহন করে । উনি হচ্ছেন আমা’র দাদাজান রহিম শেখ ।

যাই হোক জমিদারের দেয়া জমি নিয়ে আজমত শেখ এর কোন উৎসাহ না থাকলেও আমা’র দাদাজান আজমত শেখ এর বড় সন্তান নিজের বুদ্ধি আর বি’চক্ষণতা দিয়ে নিজের ভাগে পাওয়া জমি কয়েকগুন বাড়িয়ে বেশ ফুলে ফেঁপে উঠেছিলো । জমিদারি প্রথা উঠে গেলে জমিদার চলে যায় বর্ডার এর ওই পাড় । কিন্তু আমা’র দাদাজান আজমত শেখ এর ছেলে এই এলাকার পদবী ছাড়া জমিদার হয়ে ওঠে । jouno uponnash

কিন্তু সমস্যা হয় আমা’র দাদাজান এর অ’ন্য সৎ ভাই দের নিয়ে । মা’নে আজমত শেখ এর অ’ন্য ছেলেদের নিয়ে । ওরা জমিজমা’ পেয়েও তেমন কিছু করতে পারেনি । তাই শেষ পর্যন্ত আমা’র দাদাজান এর পেছনে লাগে । কিন্তু পেরে ওঠেনা আমা’র দাদাজান রহিম শেখ এর সাথে । মা’র খেয়ে গর্তে লুকায় ।

এর পরের প্রজন্ম হচ্ছে আমা’র বাবা রুহুল শেখ । দাদাজন এর এক মা’ত্র জীবি’ত সন্তান । দাদাজান আর দাদিজান এর মোট সন্তান হয়েছিলো ১৩ টি , কেউ কেউ জন্মের পর পর আর বাকিরা ১০ বছর পেরুনর আগেই মা’ড়া যায় । সবাই বলতো এটা’ আমা’র দাদাজান এর সৎ মা’য়ের কোন জাদু মন্ত্রের ফল । আমি অ’বশ্য জানি না কথাটা’ কতটা’ সত্য । আমা’র আব্বা রুহুল শেখ হচ্ছেন আমা’র দাদাজান এর সর্ব কনিষ্ঠ সন্তান ।

দাদাজন যখন দেখছিলেন একে একে তার সব সন্তান মা’ড়া যাচ্ছে তখন তিনি কদম তলীর বি’খ্যাত পীর বাবার কাছে যান । সবাই বলা বলি’ করে সেই পীর বাবাই নাকি আমা’র আব্বা কে মন্ত্র থেকে রক্ষা করেছেন । আজ ও সেই পীর জীবি’ত এবং আমা’দের বাড়ি আসে কেউ জানে না সেই পীর এর বয়স কত। আমা’র আব্বা ও নাকি ওই পীর কে এই রকম ই দেখছে । jouno uponnash

আমা’র আব্বা দাদাজান এর বেশি বয়স এর সন্তান হওয়ার কারনে দাদাজান যখন মা’ড়া যান উনি বেশ কম বয়সী ছিলেন । তাই কম বয়সে পিতার ছায়া না পেয়ে আব্বা দাদাজান এর সৎ ভাইদের সাথে পেরে ওঠেনা । অ’নেক জমিজিরাত হা’রাতে হয় আমা’র আব্বা কে । কিন্তু তারপর ও যা ছিলো তাতে আমা’দের ভেসে যেত । কিন্তু যে জিনিসটা’ আমা’র আব্বা কে সবচেয়ে বেশি দুঃখ দিত সেটা’ হচ্ছে মা’ন সম্মা’ন । আমা’র দাদাজান এর সৎ ভাইদের ছেলেরা সংখ্যায় অ’নেক ।

ওরা আমা’র আব্বার জমিজিরাত হা’তিয়ে নিয়ে গ্রামে বেশ পয়সাকরি ওয়ালা লোক হয়ে যায় । যেখানে গ্রামের মা’থা সবসময় আমা’র দাদাজান ছিলো । আর ওনার পর আমা’র আব্বার হওয়ার কথা সেখানে এখন আমা’র আব্বার সৎ চাচাতো ভাইরা হুকুম চালাতে লাগলো । এই নিয়ে আমা’র আব্বা খুব মন খারাপ করতে দেখতাম । আমা’র আব্বার সৎ চাচাতো ভাই রা সুধু আব্বার জমি আর সম্মা’ন কেড়ে নিয়ে খান্ত হয়নি মা’ঝে মা’ঝে আব্বা কে অ’পমা’ন ও করতো । আব্বা একা বলে ওদের সাথে পেরে উঠত না । তাই আমা’র আব্বার ইচ্ছে ছিলো অ’নেক গুলো ছেলের । jouno uponnash

কিন্তু আমি জন্মা’বার পর আমা’র বাবা মা’য়ের আর কোন সন্তান হয়নি । আর আমি তেমন স্বাস্থ্যবান ছেলে ছিলাম না । সবসময় সর্দি জ্বর লেগেই থাকতো । তাই আমা’র বাবা আরও বেশি মুষড়ে পড়েছিলেন । ওনার বদ্ধমুল ধারণা ছিলো । আমা’দের বংশের হা’রানো ঐতিহ্য আমরা আর ফিরে পাবো না । সবাই মিলে আব্বা কে দ্বি’তীয় বি’য়ের বুদ্ধি দিলেও আব্বা করেন নি । কারন আব্বা যাকে সবচেয়ে বেশি বি’শ্বাস করেন সেই কদম তলীর পীর বাবা বলেছেন আব্বার হা’রানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনবে যে ছেলে সেই ছেলে জন্মা’বে আমা’র মা’য়ের ই পেট থেকে ।

আর সেই অ’পেক্ষায় ই আব্বা দিন গুন্তে লাগলেন । আমা’কে আব্বা তেমন পছন্দ করতেন না কারন আমি শারীরিক ভাবে আর মা’নসিক ভাবে দুর্বল ছিলাম ( এখনো আছি ) কিন্তু কোনদিন খারাপ আচরন ও করেননি ।

বি’শাল বাড়ি আমা’দের থাকি সুধু গোটা’ কয়েক লোক । আমি আব্বা মা’ আর দুইজন কাজের লোক । আমা’দের জমি আর আমরা নিজেরা চাষ করাই না । বর্গা দিয় দেয়া হয় । একজন ম্যানেজার আছে সেই যা ফসল আসে বি’ক্রি টিক্রি করে টা’কা পয়সা বাবার হা’তে দেয় । বাবা সারাদিন বাড়িতে থাকে কোথাও তেমন একটা’ যায় না । আমা’র দাদাজান যেমন সারাদিন এদিক সেদিক বি’চার সালি’স আর কাজ নিয়ে ব্যেস্ত থাকতো আমা’র বাবা তার উল্টো । বি’চার সালি’স তেমন আসেনা তার কাছে । সারাদিন বসে বসে সময় কাটা’য় । jouno uponnash

আর আমি আমা’র ইতিহা’স সম্পূর্ণ ভিন্ন । দুর্বল স্বাস্থ্য আর শরীর নিয়ে আমি স্কুলে হা’সির পাত্র । প্রায় অ’ন্য ছেলেদের কাছে সারিরক অ’থবা মা’নসিক নির্যাতন সহ্য করতে হয় আমা’কে । শেখ বাড়ির ছেলে বলে বারতি খাতির আমি পাই না । আর সেই যোগ্যতা ও আমা’র নেই । বন্ধুবান্ধব এর ও বড় অ’ভাব আমা’র । সবচেয়ে বেশি বি’রক্ত করে আমা’র বাবার সৎ চাচাতো ভাই এর ছেলেরা ।

এই ছিলো আমা’দের ঐতিহ্যবাহী ক্ষয়িষ্ণু পরিবার এর ইতিহা’স ।

এখন আমি কালুর আগমন এবং পরিবর্তন এর কথা গুলি’ বলবো ।

তখন আমা’র বয়স হবে ১২-১৩ তাই সবকিছুই আমা’র মনে আছে । সেদিন ছিলো শুক্র বার । হঠাত আমি মা’য়ের চিৎকার শুনে ধরমর করে উঠে বসলাম ঘুম থেকে । আমা’র মা’থা কাজ করছিলো না । আর এদিকে মা’ চিৎকার করেই যাচ্ছে । একটু ধাতস্ত হতেই আমি বি’ছানা থেকে নেমে ঘরের বাইরে এলাম । আমা’দের দালান টা’ ছিলো ইংরেজি এল অ’ক্ষর এর মতো । সামনে টা’না বারান্দা । আমি দোতলায় থাকি । বারান্দায় এসে দেখি মা’ উঠানে দাড়িয়ে আছে আর একটা’ কালো মিশমিশে ছেলে মা’য়ের পা ধরে টা’নছে । আমা’দের কাজের লোক দুটি রহিমা’ আর সেলি’ম দুজন ই ছুটে এসেছে কিন্তু ওরাও হতভম্বের মতো দাড়িয়ে আছে । jouno uponnash

মনে হয় বুঝতে পারছে না কি করবে । এদিকে আমিও বুঝতে পারছি না কি করবো । ছেলেটা’ যদি ভয়ঙ্কর হয় তাহলে ? এই চিন্তা কাজ করছিলো আমা’র মা’থায় । কত ভিতু ছিলাম আমি । এদিকে আব্বা কেও কোথাও দেখা যাচ্ছে না । কি করবো কিছু ভেবে পাচ্ছিলাম না । এদিকে ছেলেটিও কিছুতেই মা’য়ের পা ছাড়ছে না । মা’ মনেহয় গোসল করে বেরিয়েছিলো । হা’তে ভেজা কাপড় । মা’থায় ভেজা চুল গামছা দিয়ে প্যাঁচানো । সেই অ’বস্থায় চেঁচিয়ে যাচ্ছে । আমা’র তখন কি কড়া উচিত ছিলো আমি যানতাম কন্তু আমা’র সাহস ছিলো না কিছু করার ।

এমন সময় আব্বা ঢুকলেন বাড়ির গেট দিয়ে সাথে আমা’দের ম্যানেজার দিলি’প কাকু । তবে উঠানের অ’বস্থা দেখে ওনারাও কয়ক মুহূর্তের জন্য স্থম্বি’ত হয়ে গিয়েছিলেন । তবে প্রথম হুঁশ ফিরে পায় দিলি’প কাকু । দৌরে এসে কালো ছেলেটিকে ধরে টেনে সরানোর চেষ্টা’ করে । কিন্তু ছেলেটিকে বেশ শক্তিশালী মনেহয় । কিছুতেই দিলি’প কাকু পেরে উঠছিল না । দিলি’প কাকু যত জোরে টা’নছিল ছেলেটি ততো জোরে আমা’র মা’য়ের পা চেপে ধরছিলো । দিলি’প কাকু কে দেখে আমা’দের চাকর সেলি’ম ও দৌরে এসে ছেলেটিকে ধরে মা’য়ের কাছ থেকে দূরে সরানোর চেষ্টা’ শুরু করে দিলো । jouno uponnash

আর রহিমা’ এসে মা’ কে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলো যেন এই টা’নাটা’নিতে মা’ পড়ে না যায় । আমি উপর থেকে দেখছিলাম অ’বাক হয়ে আর মনে মনে শিহরিত হচ্ছিলাম ছেলেটির শক্তি দেখে । যেমন ভয় হচ্ছিলো মা’য়ের জন্য আবার তেমন হিংসা ও হচ্ছিলো ছেলেটির শক্তি দেখে । এমন সময় আমা’র আব্বা মনেহয় সম্বি’ৎ ফিরে পেয়েছিলেন । গর্জে উঠে ছেলেটি আর মা’য়ের দিকে এগিয়ে গেলেন । আব্বা কে আসতে দেখে দিলি’প কাকু আর সেলি’ম দূরে সড়ে গেলো । ঠাশ করে একটা’ শব্দ হলো যেন গুলি’ চলেছে কোথাও ।

আমা’র বুকটা’ কেঁপে উঠেছিলো সেই শব্দে । চোখের নিমেষে সব হয়ে গেলো যেন । চড় খেয়ে ছেলেটি মা’ কে ছেড়ে দিয়েছে । আর হঠাত করে ছাড়া পেয়ে মা’ আর রহিমা’ দুজনেই পড়ে গেছে উঠানে । আব্বা রাগে কাঁপছে আর বড় বড় নিশ্বাস নিচ্ছেলেন । সবচেয়ে অ’বাক কড়া কাণ্ড হলো এতো জোরে চড় খেয়েও ছেলেটি হা’সছিলো । কালো কুচকুচে মুখে হলদে দাঁত গুলুও সাদা মনে হচ্ছিলো খুব ।

একটু নিরাপদ মনে করে আমি নিচে নেমে আসতেই মা’ আমা’কে জড়িয়ে ধরে বারান্দায় বসে পড়লেন । খুব কাপছিলো মা’য়ের সাড়া শরীর । অ’নেক ভয় পেয়েছিলো মা’ । আমিও কম ভয় পাইনি সেদিন । আমা’র স্পষ্ট মনে আছে ভয়ে আমা’র গলা শুকিয়ে গিয়েছিলো । jouno uponnash

ওদিকে মা’ চলে আসার পর ই দিলি’প কাকু আর সেলি’ম মিলে ছেলেটি কে ধরে ফেলেছে । আর আব্বা ছেলেটির গালে আর আক্তি চড় বসিয়ে রাগে কাঁপতে কাঁপতে জিজ্ঞাস করছিলেন কথা থেকে এসেছে আর কেন এমন করেছে । কিন্তু ছেলেটি কোন উত্তর দিচ্ছে না খালি’ হা’সে । আর সেই হা’সি ও এমন বি’দঘুটে ছিলো যে আমা’র গা ছমছম করে উঠেছিলো । এ পর্যায়ে দিলি’প কাকু বলল যে “একে মেরে লাভ নেই পুলি’সে খবর দিন হুজুর।“ পুলি’শ এলো আর এক প্রস্থ মা’র খেলো ছেলেটি । আর আমিও একটু সাহস পেয়ে একটু কাছ থেকে দেখে নিয়েছিলাম ।

কেমন থেবড়ানো নাক নাকের মা’ঝখানটা’ দেখে মনে হয় কেউ কেটে ফেলেছে । আর ঠোঁটের দুপাশ ফেটে সাদা হয়ে আছে । কিন্তু শরীরটা’ দেখে হিংসে হয়েছিলো বড়। খুব বেশি বয়স না আমা’র চেয়ে ৩-৪ বছরের বড় হবে তখন । কিন্তু কি পেটা’নো শরীর । দিলি’প কাকু আর সেলি’ম দুজনে মিলেও পারেনি কেন পারেনি তা ওর শরীর দেখে বুঝতে পেরেছিলাম ।

পুলি’শ এর মা’র খেয়েও হা’সছিলো ছেলেটি । কোন কথার উত্তর দিচ্ছিলো না । আর পুলি’শ এর মা’র কি রকম সেটা’ ওদিন খুব কাছ থেকে দেখছিলাম । ওরা সাধারন মা’নুষ এর মতো ধুম ধাম মা’রে না ওদের মা’ইর গুলা চিকন মা’র । কেউ চুলের জুলফি ধরে টেনে দিচ্ছে অ’থবা হা’ঁটুর ঠিক জোড়ায় একটা’ মা’ঝারি বাড়ি দিচ্ছে । কিন্তু কোন টেকনিক ই ছেলেটির মুখ থেকে শব্দ বের করতে পারেনি । jouno uponnash

একেবারে শেষে কথা বলেছিলো অ’বশ্য যখন দুজন পুলি’শ ওর কোমরে দড়ি বেধে নিয়ে যাচ্ছিলো তখন । আমা’র মা’য়ের দিকে আঙুল তুলে বলেছিলো মা’ ।

আর ওই একটা’ শব্দই ওকে এই বাড়িতে স্থায়ী জায়গা করে দিয়েছিলো । মা’য়ের অ’নেক বলার পর বাবাই ওকে ছাড়িয়ে এনেছিলো থানা থেকে । ওই সময় পর্যন্ত আমা’র জিবনের সবচেয়ে উত্তেজনাকর ঘটনা ছিলো ওই শুক্রবার সকাল এর ঘটনা। তাই অ’তি কৌতূহল থেকে যখনি ওই পাগলা ছেলে নিয়ে কথা হতো তখনি আমি কান পেতে শুনার চেষ্টা’ করতাম । তাই আব্বা আর মা’য়ের কথোপকথন গুলি’ আমি প্রায় সবগুলি’ শুনেছি । যেদিন আব্বা অ’বশেষে ওই ছেলেকে ছাড়িয়ে আনার জন্য রাজি হলেন সেদিন এর কথা গুলি’ও আমি শুনছিলাম ।

মা’ ঃ শুনছেন , আমা’র কিছু ভালো লাগে না সারাদিন ওই ছেলের মুখটা’ মনে পড়ে , কেমন যাওয়ার সময় মা’ বলে ডেকে গেলো ।

আব্বাঃ ওই কুচ্ছিত মুখ ও তোমা’র মনে পড়ে আয়শা , আমা’র তো দেখেই ঘেন্না লেগে গিয়েছিলো । আর এগুলি’ হচ্ছে ওদের টেকনিক মনে হয় কোন ডাকাত দলের লোক ।

মা’ঃ না গো অ’পুর আব্বা আমা’র সেরকম মনে হয় না , ছেলেটি মনে হয় পাগল হবে ।

আব্বা ঃ এখন ওর কথা না তুল্লে হয় না আয়শা , তখন তো চেঁচিয়ে বাড়ি মা’থায় তুলেছিলে । jouno uponnash

মা’ ঃ সে জন্য ই তো লজ্জা হয় ছিঃ ছিঃ ছেলেটি কি মনে করে আমা’কে ধরেছিলো আর আমি কি মনে করেছিলাম । মা’ঝে মা’ঝে এমন মনে হয় আমা’র মনটা’ খুব কুচ্ছিত না হলে আমি ওসব মনে করি । কেমন করে মা’ ডেকে গেলো । আপনি যান না একবার থানায় ওরা নিশ্চয়ই অ’নেক মা’ড়ছে ছেলেটা’ কে । আর পাগল ছেলেটা’ মুখ বুজে সব সহ্য করছে , মনে হয় মা’ মা’ করে কাঁদছে ও । কার না কার বুকের ধন কে জানে আমা’র জন্য জেলে পচে মরছে ।

মা’য়ের একটা’ দীর্ঘশ্বাস শুনা গেলো , গলা জড়িয়ে এসেছে মা’য়ের , মনে হয় কান্না ও করছে একটু একটু । মা’ কি মনে করেছিলো সেটা’ অ’বশ্য আমি বুঝতে পারিনি তবে আমি জানি আমা’র মা’য়ের মন কুচ্ছিত না ।

আব্বা ঃ কি সব আবোল তাবোল চিন্তা করো না তুমি , ওদের আবার মা’ বাবা আছে নাকি কোথায় কি করে জন্ম হয়েছে তার কোন ঠিক নেই ওদের আবার মা’ । তুমি খালি’ খালি’ এসব চিন্তা না করে আমা’দের বংশের কথা চিন্তা করো , মনে প্রানে পারথনা করো যেন তোমা’র গর্ভে একজন তেজি পুত্র সন্তান আসে যে আমা’দের বংশের মর্যাদা ফিরিয়ে আনবে । নয়তো আমা’র আমত অ’পু কেও এমন অ’পমা’ন সহ্য করতে হবে । যাও দরজাটা’ লাগিয়ে দিয়ে আসো আয়শা । চেষ্টা’ তো করে যেতে হবে আমা’দের । jouno uponnash

আমি বুজতে পারলাম এখন মা’ আর আব্বা আবার ওরকম করবে , সব সময় আব্বা যখন ছেলের কথা বলে তার পর পর ই আব্বা মা’য়ের কাপড় তুলে মা’য়ের উপর শুয়ে কেমন যেন ঘোঁত ঘোঁত করে শব্দ করে দুই তিন মিনিট ।

মা’ঃ আমি যে পাপ করেছি তাতে আমা’র কথা আর খোদা শুনবে না , এক মা’য়ের বুকের ধন কে জেলে পাঠিয়ে আমি কি আবার মা’ হতে পারবো , আপনি কালকে সকালেই যান থানায় ।

আব্বা ঃ ঠিক আছে যাবো যাবো এখন যাও দরজা বন্ধ করে দেয়ে এসো । আব্বার গলা কেমন যেন ফেস্ফেসে হয়ে এলো শেষের বাক্য বলতে গিয়ে ।

আমি বি’ছানা নড়ার শব্দ পেলাম । তারপর দরজা বন্ধের শব্দ । তারপর আবার আব্বার ঘোঁত ঘোঁত শব্দ দুই তিন মিনিট তারপর সব কিছু চুপ কয়েক সেকেন্ড । এখন মা’ দরজা খুলবে তাই আমি নিজের ঘরে চলে গেলাম ।

সেই রাতের পরদিন সেই ছেলেটি আব্বার সাথে এসে বাড়িতে হা’জির । jouno uponnash

কালু আমা’দের বাড়িতে স্থায়ী আসন গেড়ে বসেছে প্রায় মা’স দুয়েক হলো । হ্যাঁ ওর নাম দেয়া হয়েছে কালু । নামটি দিয়েছেন আব্বা । মা’য়ের অ’বশ্য এই নাম পছন্দ হয়নি একদম । কিন্তু ওকে কালু ছাড়া অ’ন্য নামে ডাকলে কোন সাড়া দেয়না । সুধু কালু বলে ডাকলেই দাঁত বের করে হা’জির হয় । আর কি বি’চ্ছিরি সেই দাঁত দেখলেই বমি পায় ।

প্রথম প্রথম আব্বা বি’রক্ত হলেও এখন কালু ছাড়া ওনার সকাল শুরু হয়না । আব্বা আর আম্মা’ ছাড়া অ’ন্য কোন কথা না বলতে পারা এই অ’সুন্দর ছেলেটি আব্বার ডান হা’ত হয়ে উঠেছে । আর কালু আসার পর আব্বা ও বেশ চনমনে হয়ে উঠেছে। সকাল সকাল বেড়িয়ে পড়ে হা’ঁটা’ হা’টি করতে তখন আব্বার সঙ্গী কালু । বি’কেলে পুকুরে মা’ছ ধরা দেখাশুনা করতে যায় আব্বা তখনো আব্বার সঙ্গী কালু । সন্ধ্যার পর বারান্দায় ইজি চেয়ারে বসে আরাম করার সময় ও আব্বার সঙ্গী কালু ।

আব্বার পায়ের আঙুল টেনে দেয়া পায়ের তেল মা’লি’স করাই যেন দুনিয়ার সবচেয়ে আনন্দের কাজ অ’ন্তত কালু কে দেখলে তাই মনে হতো । হ্যারিকেন এর আলোয় কালুর কালো মিশমিশে শরীর দেখা যেত না সুধু দাঁত গুলি’ দেখা যেত তখন । jouno uponnash

সকাল দুপুর আর সন্ধ্যে টা’ আব্বার সাথে কাটা’লেও কালুর সারাদিন কাটতো মা’য়ের সাথে । মনে হচ্ছিলো রহিমা’র চাকরি আর মনে হয় বেসিদিন থাকবে না এই বাড়িতে । এমনিতে ও রহিমা’র বেশ বয়স হয়েছিলো এই বাড়িতে কাজের মা’নুষ হিসেবে থাকলেও বেশিরভাগ কাজ মা’ ই করতো । আগের দিনের গেরস্থ বাড়িতে বাড়ির বউরাই নিজেদের কাজ নিজেরা করতো সে যত বড় গেরস্থ ই হোক না কেন ।

মা’য়ের সব কাজ কালুই করে দিত , এই নিয়ে রহিমা’ প্রায় মজা করে বলতো “ আমা’র কপাল থেকে মনেহয় এই বাড়ির ভাত উঠে যাচ্ছে “ ।

আমি অ’বশ্য কালুর সাথে বেশি ঘেঁষতাম না । কেমন জানি একটা’ ভয় কাজ করতো আমা’র সাথে হিংসে । অ’বশ্য কালু খেতে বসলে দূর থেকে দেখতাম । কালু কখনো আমা’দের সাথে খতে বসতো না । সবার খাওয়া হয়ে গেলে তারপর ওকে খেতে দেয়া হতো । মা’ কত বলেছে ওকে আমা’দের সাথে খেতে বসতে কিন্তু কিছুতেই রাজি করান যায়নি । একাই চার পাঁচ জনের ভাত খেয়ে ফেলত কালু । সুধু ভাত হলেই হতো ওর তরকারী দরকার পড়তো না । আর সেই খাওয়া ও ছিলো দেখার মতো । jouno uponnash

বি’শাল বি’শাল গ্রাস তুলত মুখে । তারপর কিছুক্ষন চিবি’য়ে গিলে ফেলত । কালু খাওয়ার সময় মা’ সবসময় ওর সামনে থাকতো পাছে রহিমা’ ওকে কম ভাত দেয় সেই কারনে । কালু কে এক থালা ভাত দিলে ও নিমেষে শেষ করে থালা টা’ মা’য়ের দিকে বাড়িয়ে ধরে বলতো “ আম্মা’ “ আর মা’ হেঁসে ওকে আরও ভাত দিত ।

“ কি করছ আয়শা ও তো আমা’র ধানের গোলা সবার করে ফেলবে “ আব্বার এই অ’ভিযোগ গুলো ও ছিলো কৌতুক পূর্ণ । আমা’র বাবা মা’য়ের একটা’ অ’ল্প পরিচিত অ’নাহুত একটি ছেলের প্রতি এমন দরদ দেখে আমি বেশ অ’বাক হতাম । মনে মনে ভাবতাম কালু কি এমন জাদু করেছে ওদের । নিজের ছেলের চাইতেও এই অ’নাহুত অ’সুন্দর ছেলেটির সাথে ওদের আচরন অ’নেক সহজ অ’নেক আপন ।

প্রায় মা’কে দেখতাম কাজ করতে করতে কালুর সাথে হেঁসে গল্প করছে । দুটি শব্দ ছাড়া অ’ন্য কোন কথা উচ্চারন করতে না পারা কালুর সাথে গল্প করে কি মজা সেটা’ আমি বুঝতাম না । না এমন ছিল না যে মা’ আমা’র সাথে সময় কাটা’ত না । সারাদিন কাজের ফাঁকে সময় মতোই আমা’র খোঁজ নিতো । প্র্যজনিয়তা পুরন করতো । কিন্তু মন খুলে গল্প করা সেটা’ কোনদিন হয়ে ওঠেনি । অ’বশ্য মা’য়ের সাথে যে গল্প করা যায় সেটা’ই কোনদিন আমা’র মা’থেয় আসেনি । কিন্তু কালু কে দেখে এখন অ’বশ্য আমা’র সেই ইচ্ছে হয় । একদিন এর ঘটনা বলি’ । jouno uponnash

মা’ রান্না করছিলো আর সেদিন রহিমা’র শরীর খারাপ ছিল । তাইসব কিছু মা’ কে একাই করতে হচ্ছিলো । আমি সেদিন বাড়িতেই ছিলাম । গ্রামের অ’ন্য ছেলেদের মতো ডানপিটে ছিলাম না আমি তাই বারান্দায় বসে একটি কি খেলনা নিয়ে যেন খেলছিলাম । রান্না ঘর থেকে চাপ কল বেশ দূরে হওয়ায় মা’ কে কিছক্ষন পর পর পানি নিয়ে আসতে হচ্ছিলো । আমি দেখছিলাম আর মনে মনে মা’য়ের জন্য কষ্ট হচ্ছিলো । কিন্তু পানি টা’ যে আমিও এনে দিতে পারি সেই চিন্তাই আমা’র মা’থায় আসেনি ।

অ’বশ্য অ’তো বড় কলসি আমি নিতেও পারতাম না । এমন সময় কালু চলে এলো । দেখলাম ওর হা’তে দুটো ঝুনা নারকেল । এসেই হা’ঙ্গামা’ শুরু করে দিলো কালু । পুরো বাড়ি মা’থায় করে নিলো একটি শব্দে “ আম্মা’ “ “আম্মা’” । মা’ তখন চাপ কলে চাপ দিয়ে পানি তুলছিল । কালু এসেই মা’ কে সরিয়ে নিজে চেপে পানি ভরে কলসি এক হা’টে উঠিয়ে রান্না ঘরে নিয়ে দিলো ।

মা’ সে কি খুশি । কালুর কোঁকড়ান চুল গুলি’ হা’তে নেড়ে দিয়ে বলছিল “ তোর মা’ ছোট বেলা থেকেই এইসব কাজ করে অ’ভস্থ” কিন্তু কালু মা’নতে নারাজ । হা’ত নেড়ে মা’ কে কোন সময় ভারি কিছু করতে নিষেধ করছে । তারপর মা’ যতক্ষণ রান্না করলো ততক্ষন কালু বসে রইলো মা’য়ের সাথে । এটা’ ওটা’ করে দিচ্ছে । এর ফাঁকে মা’ যেন কি সব কথা বলছে ওই বোবাটা’র সাথে । সেদিন খুব মন খারাপ হয়েছিলো , আমিও কি পারতাম না মা’য়ের কলসি ভরে দিতে মা’য়ের সাথে রান্না ঘরে বসে কথা বলতে । jouno uponnash

মা’ হা’সিমুখে আমা’র চুল গুলি’ এলোমেলো করে দিয়ে আহ্লাদ করে বলতো “ ইস আমা’র ছেলে কত্ত কাজের মা’য়ের সব কাজ করে দেয় “ । আমি কি নিজেই মা’য়ের ওই ঘনিষ্ঠতা ত্যাগ করছি এমন একটা’ চিন্তা আমা’র মা’থেয় এসেছিলো । জেদ চেপে গিয়েছিলো মা’থায় , জেদ মনে হয় আমা’র নিজের উপর ই হয়েছিলো , কিন্তু ঝারতে গিয়েছিলাম মা’য়ের উপরে । রান্না ঘরের সামনে গিয়ে দাড়িয়ে চেঁচিয়ে জিজ্ঞাস করেছিলাম “ আর কত সময় লাগবে রান্না হতে ? আমা’র কি খিদে লাগে না বসে বসে হা’সা হা’সি করলে কি কাজ হয় ?”

আমা’র এই রাগের কথা গুলি’ শুনে মা’ হেঁসে বলেছিল “ ইস আমা’র শ্বশুর সাহেব এসেছে , মা’ত্র তো এগারোটা’ বাজে এখনি খিদে পেয়ে গেলো “ মা’য়ের ঘর্মা’ক্ত মুখের সেই মিষ্টি হা’সি আমা’র কাছে লেগেছিল বি’ষের মতো । মনে মনে এমন একটা’ বাক্য খুজছিলাম যেটা’ মা’কে অ’নেক কষ্ট দেবে । “ আমি তো তোমা’র ছেলে না ওই কালু বোবাই তোমা’র ছেলে যাও খাওয়াও তোমা’র বোবা কুচ্ছিত ছেলেকে “ সেই কচি বয়সে এই বাক্যটি ই খুজে পেয়েছিলাম মা’ এর উপর প্রতিশোধ নেয়ার জন্য। মনে করেছিলাম খুব একটি মোক্ষম আঘাত করেছি । jouno uponnash

কিন্তু অ’চিরেই আমা’র করা আঘাত আমা’র শরীরে এসে লাগলো যখন দেখলাম । আমা’র বলা সেই বি’ষ বাক্য মা’ কে স্পর্শ ই করলো না উল্টো হেঁসে লুটোপুটি খেতে লাগলো । আর বলল “পাগল ছেলে বলে কি “ অ’ন্য আরও অ’নেক সময় মা’ আমা’কে পাগল বলেছে আমি কিছুই মনে করিনি কিন্তু অ’ইদিন কালুর সামনে পাগল বলায় আমা’র কাছে এমন লজ্জা আর অ’পমা’ন লেগেছিল যে মনে হচ্ছিলো আমা’র দম বন্ধ হয়ে যাবে । আর কালু ও দাঁত বের করে “ আম্মা’ “ বলে মা’য়ের কথায় সায় দিয়ছিল ।

রাগে অ’পমা’নে আমি বলে ছিলাম “ আমি পাগল না তোর ওই কালু পাগল , থাক তুই কালু পাগলা কে নিয়ে “ দৌরে বেড়িয়ে গিয়েছিলাম বাড়ি থেকে । পেছন থেকে মা’য়ের শত ডাক ও কানে তুলি’নি । ইচ্ছা ছিল আর বাড়িতে ফিরবনা ।

কিন্তু বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পড়েছিলাম আর এক বি’পদে , সময় কাটছিল না কিছুতেই । এদিক সেদিক ঘুরে বেড়িয়ে রোদে ক্লান্ত হয়ে শেষে আমা’দের বাড়ির পেছনে একটি মজা পুকুরের ঝপের আড়ালে বসে ছিলাম । কিছুক্ষন বসে থেকেই শুরু অ’য়েছিল অ’নুতাপ , ছোট বেলার আবছা সৃতি গুলি’ মনে পড়ছিল খুব । যখন আমি মা’য়ের সাথেই থাকতাম সব সময় আমা’কে নিয়ে করা মা’য়ের আহ্লাদ গুলি’ মনে পড়ছিল খুব । কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম মনে নেই । ঘুম ভেঙ্গে ছিল ঘেমো একটা’ গন্ধে । সেই গন্ধ কালুর এতো সাবান পানি সব বি’ফলে গিয়েছে কালুর এই ঘেমো গন্ধের কাছে । jouno uponnash

কি তীব্র সেই গন্ধ আমা’র তো মা’থা চক্কর দিয়ে ওঠে । কালু আমা’কে পাজকোল করে উঠিয়ে বাড়ির দিকে দৌর দিলো । আমা’র চেয়ে কালুর বয়স খুব বেশি হবে না বড় জ্বর ২-৩ বছরের বড় । আর লম্বায় ও বেশ খাটো কি করে যে আমা’র মতো একটা’ ছেলেকে এমন করে কোলে নিয়ে দৌরে যাচ্ছে সেটা’ ভেবে ও অ’বাক হলাম খুব । আর এই অ’বাক হওয়ার পড়বো শেষ হলে এলো রাগ , যার জন্য রাগ করে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে এলাম সেই এখন আমা’কে আমা’র ইচ্ছার তোয়াক্কা না করে এমন অ’সহা’য় অ’বস্থায় কোলে ফেলে জোড় করে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছে ।

প্রচণ্ড অ’ভিমা’ন হলো আর সাথে রাগ , রাগে কান্না চলে এলো । আঁচরে কামড়ে দিতে লাগলাম কালু কে । কিন্তু কালুর শরীর যেন পাথর এর । আমা’র নখ ওর চামড়া ভেদ করতে পারছে না কিছুতেই ।

তীব্র ঘামের গন্ধ সাথে চেঁচিয়ে কান্না করা আর হা’ত পা ছোরা এই সব মিলে ক্লান্ত হয়ে গেলাম । কিন্তু কালু দামড়া টা’র কোন ক্লান্তি নেই আমা’কে নিয়ে দৌড়ে যাচ্ছে আর আমি ওর কোলে অ’পমা’নজনক ভাবে লেং ছেড়ে পড়ে আছি । আশপাশ থেকে কয়েকটা’ তির্যক উক্তি ও শুনতে পেলাম । এতে আমা’র রাগ আরও বেড়ে যাচ্ছিলো । jouno uponnash

বাড়িতে এনেই কালু আম্মা’ আম্মা’ বলে চেচাতে লাগলো কিছুতেই আমা’কে কোল থেকে নামা’চ্ছে না । কালুর চেঁচামেচি শুনে মা’ বেড়িয়ে এলো । আমা’কে দেখেই জিজ্ঞাস কলো কোথায় পেলি’ । কালু উত্তর দিলো আমা’কে কোল থেকে ধপাস করে মা’য়ের পায়ের নিচে ফেলে দিয়ে সাথে ওর বোবা মুখে সেই আম্মা’ বোল । কি ভয়ানক উত্তর , ধপাস করে মা’টিতে পড়ে ভীষণ ব্যাথা পেলাম কিন্তু মুখে কিছু বললাম না ।

ওকে এমন করে ফেললি’ কেন রে বোকা ছেলে , ভাই ব্যাথা পাবে না ? এই বলে মা’ আমা’কে টেনে তুলে দাঁর করিয়ে দিলো । তারপর আমা’র চিবুক ধরে একটু উচু করে হা’সি মখে বলল । পাগল ছেলে আমা’র অ’মন করে কেউ বেড়িয়ে যায় কখনো আর মা’য়ের মনে কি দুঃখ দিতে আছে । কিন্তু মা’য়ের অ’মন মিষ্টি কথাও আমা’র মনে দাগ কাটল না , কালু যে এভাবে আমা’কে ফেলে দিলো তার জন্য মা’ ওকে কিছুই বলল না এটা’ ভেবে আমা’র রাগ আরও বেড়ে গেলো । আমি এক ঝটকায় মা’য়ের হা’ত আমা’র চিবুক থেকে সরিয়ে এক দৌড়ে আমা’র দোতলার ঘরে চলে গেলাম । jouno uponnash

কিছুক্ষন পর মা’ ঢুকল আমা’র ঘরে । হা’সিমুখ আর হা’তে খাবার এর থালা । পেটে টা’ন অ’নুভব করলাম খাবার এর গন্ধ নাকে যেতেই । কিন্তু মুখটা’ ঘুরিয়ে নিলাম জানালার দিকে । খোকন সোনা চাঁদের কোণা রাগ করেনা , এই বলে আম্মু আমা’র মুখটা’ নিজের দিকে করার চেষ্টা’ করলো । কিন্তু ছোট বেলার প্রিয় আদুরে বোল ও আমা’র রাগ ভাঙ্গাতে পারলো না । বরং রাগ যেন বেড়ে গেলো । আমি কেঁদেই ফেললাম রাগের কারনে । এই দেখে আম্মু খাবার এর থালা রেখে দু হা’তে আমা’র মুখটা’ দুপাশ থেকে ধরে নিজের দিকে করলো ।

ছিঃ তুই কাদছিস কেন ? তুই তো আমা’র ভালো ছেলে লক্ষি ছেলে

কিন্তু মা’য়ের মন ভুলানো কথা গুলি’ আমা’র উপর কোন প্রভাব ফেললো না উল্টো আমা’র কান্নার দমক বেড়ে গেলো । কান্নার তিব্রতায় আমা’র শরীর কেঁপে কেঁপে উঠতে লাগলো । হেঁচকি উঠে যাচ্ছে কান্নার কারনে । মা’ আমা’র মা’থা বুকে টেনে নিলেন। অ’নেক্ষন মা’য়ের বুকে মা’থা রেখে একটু শান্তি পেলাম । কান্না একটু চেপে এলো । তখন মা’ আমা’কে নিজের বুক থেকে সরিয়ে বলল এই তো লক্ষি ছেলে নে এবার খেয়ে নে অ’নেক বেলা হলো তোর জন্য ইলি’শ মা’ছের ডিম ভেজে রেখেছি। jouno uponnash

আমিও খাওয়া শুরু করলাম । মা’ আমা’কে হা’তে তুলে খাইয়ে দিচ্ছে । অ’নেকদিন পর মা’য়ের হা’তে খেলাম । একটু পর খেয়াল করলাম কালু দাড়িয়ে আছে দরজায় , হলদে দাঁত বের করে । আমি ভাত মুখে নিয়েই মা’ কে বললাম ওকে ওর দাঁত লুকিয়ে রাখতে আমা’র বমি পায় । মা’ হেঁসে কালু কে ডাকল , এই কালু এদিকে আয় ।

আম্মা’ আম্মা’ করে হা’জির কালু । এখনো নোংরা দাঁত গুলি’ বের করে রেখেছে । আমি কোনরকম মুখের ভাত গুলি’ গিলে ফেললাম । মা’ কালুর একটি হা’ত ধরে বলল এই কালু শোন এটা’ হচ্ছে তোর ছোট ভাই , একে কখনো কষ্ট দিবি’ না বুঝলি’।কালু মা’থা নেড়ে সায় দিলো সাথে নোংরা দাঁতের বি’টকেলে হা’সি । মা’ আবারো ওর হা’ত ঝাকি মেরে বলল বুঝেছিস তো আমা’র কথা । কালু এবার বলল আম্মা’ । এর মা’নে ও ঠিক মতো বুঝেছে । ইস মা’ ওকে সহ্য করে কি করে , আমি একটু দূরে বসা এখান থেকেই ওর ঘেমো গন্ধ পাচ্ছি । jouno uponnash

মা’ আমা’র মুখে আর এক বার ভাত তুলে দিয়ে বলল , বুঝলি’ অ’পু , কালু হচ্ছে তোর হা’তের লাঠি , তোর কোন বি’পদ আপদ এলে দেখবি’ কালু ই সবার প্রথম ঝাপিয়ে পড়বে । তারপর কালুর দিকে তাকিয়ে বলল কিরে কালু ভাই কে দেখবি’ না । কালু জবাব দিলো আম্মা’ । কি আম্মা’ আম্মা’ করছিস , বোল তো অ’পু তোর কি হয় ।

কালুর উত্তর এলো আম্মা’ । সাথে সাথে আম্মু হেঁসে ফেললো , প্রান খোলা হা’সি । এমন হা’সি আম্মু কে আগে আমি খুব কম ই হা’সতে দেখেছি । আমা’রও হা’সি পেয়ে গেলো ।

আসলে আমি এখন বুঝতে পারি মা’ কালুর সঙ্গে কেন এতো মিশত । আসলে মা’ নিঃসঙ্গ ছিলো । বাড়িতে আর কোন মেয়ে ও ছিলো যার সাথে মা’ সময় পাড় করবে দুটো কথা বলবে । আমি তো সারাক্ষণ পড়াশুনা বা খেলা ধুলা নিয়ে থাকতাম । যতক্ষণ সময় আমা’র জন্য মা’ কে দরকার ঠিক ততটা’ই সময় আমি মা’য়ের সাথে ব্যায় করতাম । এখন কার সময় এর স্বামী স্ত্রীর মতো আগের দিনের স্বামী স্ত্রীর মা’ঝে কোয়ালি’টি টা’ইম বলতে কোন কথা ছিলো না । স্বামীদের সান্নিধ্য স্ত্রীরা সুধু রাতে শোয়ার সময় ই পেত । আর কালু ছিলো একজন আদর্শ স্রোতা , মা’ এমনসব কথাও কালুর সাথে বলতো যা ঠিক কালুর সাথে বলার কথা না । jouno uponnash

একদিন এর কথা বলি’

মা’ দুপুর এর খাওয়া শেষে না ঘুমিয়ে পুকুর ঘাটে ছিপ নিয়ে বসে আছে আর কালু ও সাথে বসা । মা’ প্রায় ই দুপুর বেলা এমন করতো । আমা’র কি একটা’ প্রয়োজনে যেন আমি মা’ কে খুজছিলাম । খুজতে খুজতে পুকুর ঘাটে চলে এলাম । দেখি দুজনে খুব হা’সা হা’সি । তখনো কালুর প্রতি হিংসে আমা’র পুরো পুরি কাটেনি । কি নিয়ে এতো হা’সা হা’সি সেটা’ জানার খুব ইচ্ছে হলো আমি চুপি চুপি ওদের পেছনে ঘাপটি মেরে রইলাম ।

তোর আব্বার অ’নেক সখ ছিলো অ’নেক গুলি’ ছেলেপুলে হবে রে কালু , কিন্তু আমা’র পেটে যে কি পাথর আছে এতো চেষ্টা’র পর ও কিচ্ছু হচ্ছে না । এতো করে বললাম আর একটা’ বি’য়ে করেন , কিছুতেই করলো না , আমা’কে কি বলে জানিস ।

কালু বলল আম্মা’

ধুর পাগল খালি’ আম্মা’ আম্মা’ করিস কেন , আর কিছু শিখতে পারিস না ।
এবার কালু বলল আব্বা , মা’ জোড়ে জোড়ে হা’সতে লাগলো , আর বলল………. jouno uponnash

বুঝেছি বুঝেছি তুই খুব পারিস । শোন তোর আব্বা কি বলে তাকে আর একটা’ বি’য়ের কথা বললে । বলে শোন আয়শা তুমি আর কোনদিন আর একটা’ বি’য়ের কথা বলবে না , যদি বলো আমি বাড়ি ছেড়ে চলে যাবো , তুমি কি মনে করো পীর সাহেব বলছে এই জন্য আমি বি’য়ে করি না , এতো দিনেও আমা’কে চিনলে না , কি রাগ যে করে তোর আব্বা , সেই রাগ ভাঙ্গাতে আমা’র রাত পাড় হয়ে যায় । আমা’র অ’বশ্য এতো ছেলে পুলে ভালো লাগে না বেশি ছেলে হলে ওই আমেনা আপার মতো মটকি হয়ে যাবো ।

এই বলে মা’য়ের আবার হা’সি , এতো খোলা হা’সি সুধু আমি মা’ কে কালুর সাথেই হা’সতে দেখতাম । তবে সেই হা’সি ধীরে ধীরে কেমন যেন একটা’ বি’ষাদ মা’খা রূপ নিলো । তারপর একটা’ নিশ্বাস ছেড়ে বলল

শোন কালু তুই আমা’র বড় ছেলে , তুই ই তোর আব্বার হা’তের লাঠি হবি’ ভাই এর ছায়া হবি’ । বুঝলি’ আমা’র আর ছেলে পুলের দরকার নেই ।

আমি সেদিন আমা’র দরকার এর কথা না বলেই চলে এসেছিলাম । একটু অ’ভিমা’ন হয়েছিলো মা’য়ের উপর আমা’কে কালুর চেয়ে দুর্বল ভাবার কারনে । তবে এখন বুঝতে পারি মা’ আমা’র কথা ভেবেই অ’মনটা’ বলেছিলো । আসলেই আমি দুর্বল প্রকিতির লোক । আর কালুকে আমা’র ও খুব প্রয়োজন এটা’ বুঝতে বেসিদিন সময় লাগেনি আমা’রও ।

নতুন ভিডিও গল্প!


Tags: , , , , , ,