ভাঙনের পর – হারুকি মুরাকামি

| By Admin | Filed in: প্রেমকাব্য.

ভাষান্তরঃ কাসিফুর রহমান

কুশিরােতে ইউএফও

….আমরা একটি নির্জন জায়গায় পৌছানের পর ও বলল- সে মিলিত হতে চায়। আমারও ওর প্রস্তাবটি পছন্দ হয়ে গেল এবং আমরা রাস্তা থেকে দূরে একটু ঘরের মতাে গােলাকৃত জায়গায় গিয়ে প্লাস্টিক বিছালাম, যেখানে কেউ আমাদের দেখতে পাবে না। আমি ভালুকের ভয়ে ছিলাম। মানে একটু ভাবাে কি ভয়ংকর ব্যাপার হবে এটি, যে তােমার প্রিয়তমাকে আদর করার সময় পিছন থেকে ভালুকের আক্রমণে মারা পড়লে! তুমি কি এটা চাইতে?

কমুরা একমত হল যে সে এভাবে মরতে চাইতাে না।

-“ঠিক অদ্ভুতভাবে আমরা মিলিত হচ্ছিলাম- ভাবতে পারাে এক হাতে ঘন্টা বাজানাে আর আদর করে যাওয়ায় মিলিত হওয়ার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমি ঘণ্টা ধরে রেখেছিলাম ও বাজাচ্ছিলাম! ডিং ডিং! ডিং! ডং! ডং!

দু’জনের মধ্যে যখন একজনের হাত ব্যথা হয়ে আসতাে তখন আমরা অন্য জনকে দিতাম। সারাক্ষণ ঘণ্টা বাজানাে খুবই আশ্চর্য ছিল। আমি এখনও দৈহিক মিলনের সময় ওটা মনে করি, আর হাসি!’

কমুরাও হাসতে শুরু করল।…..

…..শীমাও কমুরার খােলা বুকে তার কান লাগাল। এরকময় সে বলল। -হুম’ -তুমি এতে বিচলিত হবে না।’ কমুরা উত্তর দিল, আমি চেষ্টা করবাে। -“মানুষ সব সময় এগুলাের দ্বারা বিচলিত হয়। কমুরা কিছু বলল না। শীমাও কমুরার স্তনবৃন্ত নিয়ে খেলছে।…..

ঈশ্বরের শিশুরা নাচতে জানে

…..ইয়ােশিয়ার মায়ের বয়স ছিল ৪৩, কিন্তু তাকে দেখে ৩৫ এর বেশি বলে মনে হতাে না। তাকে দেখতে খুব সুন্দর দেখাতাে। তিনি একটি সুন্দর | শারীরিক কাঠামাে ধরে রেখেছিলেন যা সম্ভব হয়েছিল সাধারণ খাদ্যাভাস ও রাত-দিন কঠোর পরিশ্রমের দ্বারা। ইয়ােশিয়া থেকে মাত্র আঠারাে বছর বড়, কিন্তু তাকে দেখে প্রায়ই মনে হতাে তিনি ইয়ােশিয়ার বড় বােন। তার মাঝে মাতৃত্বসুলভ আচরণ ওভাবে ছিল না, অথবা হয়তাে অনেক বেখেয়ালী ছিলেন। এমনকি যখন ইয়ােশিয়া মাধ্যমিক স্কুলে প্রবেশ করেছিল এবং যৌনতা সম্পর্কে নিজের আগ্রহ বাড়ছিলাে তখনও তিনি বাড়িতে শুধুমাত্র আন্ডারওয়্যার পরে ঘুরে | বেড়াতেন। কখনও কখনও তাঁর পরনে কিছুই থাকতাে না। তারা অবশ্যই আলাদা ঘরে ঘুমাতাে। কিন্তু তিনি যখন একাকিত্ব অনুভব করতেন তখন তিনি ইয়ােশিয়ার চাদরের নিচে ঢুকতেন প্রায় কোন কিছু পরিধান করা ছাড়াই। যেমন করে কুকুর কিংবা বিড়ালকে জড়িয়ে ধরে রাখা হয় তেমনিভাবে তিনি ইয়ােশিয়ার গায়ের উপর দিয়ে হাত জড়িয়ে ঘুমােতেন। তিনি এটা দিয়ে ইয়ােশিয়াকে কিছু বুঝতে চাইতেন না। কিন্তু এরপরেও ইয়ােশিয়া অনেক বেশি বিচলিত হয়ে পড়তাে। সে তার নিজেকে সামলে ঘুমানাের চেষ্টা করত, যেন তার মা তার উত্তেজিত অবস্থা বুঝতে না পারে। তাই | নিজের মায়ের সাথে ক্ষতিকর সম্পর্কে জড়ানাে থেকে রক্ষা পেতে ইয়ােশিয়া তাড়াহুড়াে করে সুন্দরভাবে শােবার চেষ্টা করতো। সে নিয়মিত হস্তমৈথুন করতাে। এমনকি, একপর্যায়ে তার পার্টটাইম কাজ হতে উপার্জনের টাকা দিয়ে একটি পর্নোগ্রাফি দোকান চালাতে শুরু করেছিল।…..

…..তার প্রেমিকা শিশ্ন ধরে বলত যে এত বড় শিশ্ন সে আর কখনও দেখেনি। সে যখন নাচত তখন এটা কি কোন সমস্যা তৈরি করত না? ইয়েশিয়া তাকে বলত, না, এটি কোন সমস্যা করেনি। সত্যিই এটি অনেক বড় ছিল। যদিও সে মনে করতে পারল না এর মাধ্যমে তার কোন বড় সুবিধা হয়েছিল কিনা। বাস্তব অর্থে অনেক মেয়েই তাকে এই বড় শিশ্নের জন্য, সঙ্গম প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। সৌন্দর্যের দিক থেকে একে দেখতে ধীর বিদঘুটে লাগত। আর তাই সে এটিকে আড়াল করে রাখার চেষ্টা করত।তারমা তাকে সবসময় অগাধ আত্মবিশ্বাস নিয়ে বলত, “তােমার বড় নুনু একটি সংকেত যে তুমি ঈশ্বরের পুত্র। আর সেও তা বিশ্বাস করত। কিন্তু তারপর একদিন সে বড় একটি ধাক্কা খেল। সে সবসময় উড়ন্ত বল ধরতে পারার জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করত। কিন্তু এর উত্তরে ঈশ্বর তাকে সবার চাইতে বড় শিশ্ন দান করেছিল, এই নির্বুদ্ধিতার মানে কি?…..

Please follow and like us:


Tags: , , ,